Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale Football Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NHL Jerseys Wholesale NHL Jerseys Cheap NBA Jerseys Wholesale NBA Jerseys Cheap MLB Jerseys Wholesale MLB Jerseys Cheap College Jerseys Cheap NCAA Jerseys Wholesale College Jerseys Wholesale NCAA Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850

‘নৌকা ও আওয়ামীলীগের বিজয়টাই আমার কাছে মুখ্য’

নতুন ফেনী
প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০১৮ | সময় : ৬:০৭ অপরাহ্ণ

সমুদ্রস্নাত সোনাগাজীর কৃতিমূখ তরুণ রাজনীতিবিদ জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন। সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বর্তমানে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ উপ-কমিটির সদস্য। সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। ৯ম শ্রেণিতে পড়াকালিন সময়ে রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন। বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের নানা উন্নয়নের কথা সোনাগাজী-দাগনভ্ূঁঞার তৃণমূল মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। নিয়মিত উঠান বৈঠক, লিপলেট বিতরণ, গণসংযোগসহ সবকিছুতেই তিনি সরব। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সংসদের (২৬৭ আসন) ফেনী-৩ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। সম্প্রতি তরুণ এ রাজনীতিবিদ নতুন ফেনী’র কাছে খোলামেলা কথা বলেন নানা বিষয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাহাদাত হোসেন তৌহিদ।

নতুন ফেনী: কিভাবে রাজনীতিতে আসলেন?
লিপটন: আজ থেকে প্রায় ৩৩ বৎসর আগে ১৯৮৬ সালে নবম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালিন স্কুল পর্যায়ে ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসাবে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে মিছিলের কর্মী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করি। যদিও ১৯৮৬ সালে নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এবিএম তালেব আলী চাচার নির্বাচনে নৌকার মিছিলে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলাম। আমাদের নবাবপুর এলাকায় সেদিন ছিল ১০ই নভেম্বর ১৯৮৭ সাল। দেশব্যাপি অবরোধ কর্মসূচি তৎকালীন ১৫ দলীয় জোট আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন। তৎকালীন ফেনী জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি প্রয়াত মোহাম্মদ হোসেন হাজারী ভেন্ডু ভাইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেনী জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্লাস বর্জন করে।

নতুন ফেনী: তারপর?
লিপটন: মিছিলের কর্মসূচি আমরা সোনাগাজী আমিরাবাদ বিসি লাহা স্কুল থেকে ক্লাশ শুরুর ঘন্টা বেঁজে ওঠার সাথে সাথে ‘জয় বাংলা/জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে ক্লাশ রুম থেকে বের হয়ে কিছু ‘ভোর বাজার’ হাইস্কুলের দিকে, কিছু ‘হক বাহাদুর’ হাইস্কুলের দিকে গিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিছিল সহকারে তিন স্কুল থেকে প্রায় ৪০০/৫০০ ছাত্র শেখ মুজিবর হাইস্কুল থেকে সবাই আবার প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে কাকভেজা অবস্থায় খাইয়ারা স্কুলে অবরোধ ও ক্লাস বর্জনের জন্য রওয়ানা হলাম। স্কুলের কাছাকাছি পৌঁছাতে জমিতে ধান চাষরত কিছু কৃষক তাদের হাতে থাকা লাঙ্গল ফলা নিয়ে আমাদের ধাওয়া দিতে লাগলেন এবং আমাদের বেশ কয়েকজন ছাত্রবন্ধু আহত হলেন। কারণ আমরা সম্পূর্ণ খালি হাতে, সম্পূর্ণ মানসিক শক্তিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত হয়ে সেদিকে এগোচ্ছি। কিন্তু সে এলাকাটি ছিল তৎকালীন ফেনী-৩ আসনের এমপি মুজিবুল হক চৌধুরী সাহেবের এলাকা। তিনি ছিলেন এরশাদ সাহেবের জাতীয় পার্টির এমপি। পরবর্তীতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমাদের এই মিছিলের পুরোভাগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমাদের নবাবপুরের মনির গাজী, আলাউদ্দিন, মরহুম ফটিক মাষ্টার ও দেলোয়ার চেয়ারম্যান। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা স্কুল পর্যায়ে ফেনী জেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করি।

নতুন ফেনী: সেদিনের আন্দোলনতো ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে।
লিপটন: জ্বি, সেটাই বলেছি। কারণ সেদিন ঢাকার গুলিস্তানে আমাদের প্রিয় নেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার মিছিলের অগ্রাবাদে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন বুকে-পিঠে শ্লেøাগান লেখা ”গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক” সেই নুর হোসেন মৃত্যুবরণ করেছিলেন। যার ফলে বিবিসি, ভয়েজ অব আমেরিকা থেকে আমাদের আন্দোলন এবং সন্ত্রাসী হামলার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সে থেকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন দেশের সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একজন কর্মী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। পরবর্তীতে কুমিল্লায় ভিক্টোরিয়া থাকাকালীন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালিন সময়ে সর্বদাই রাজনীতিকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। আমার বাবা খায়েজ আহমেদ ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে সর্বদলীয় কমিটির সদস্য। সে হিসেবে পারিবারিক ভাবেই আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।

নতুন ফেনী: মুক্তিযুদ্ধের পরিবারের সন্তান হিসেবেই কী রাজনীতিতে আসছেন, নাকি ভিন্ন কোন কারণ?
লিপটন: আমার যখন ছাত্রলীগ শুরু করি তখন কোন কিছু পাওয়া বা প্রত্যাশার জন্য করিনি। এতই করুণ ছিল সময়টা যে, তখন কোনদিনই চিন্তা করতে পারিনি যে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে। আওয়ামীলীগ আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে। সারাদেশে এমন উন্নয়ন হবে। অসাম্প্রদায়িক ও উন্নয়শীল একটি দেশে রুপান্তরিত হবে। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। স্বাধীনতা বিরোধীচক্র রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে বার বার হত্যা চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা পণ ছিলো যে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতে হবে। জাতির জনক হত্যার প্রতিবাদের আমরা মিছিল মিটিং করেছি। কিন্তু কবে হবে সেটি আমাদের ছিলো অজানা।

নতুন ফেনী: গত কয়েক বছর ধরে আপনি তৃণমূল মানুষকে নিয়ে নিয়মিত উঠান বৈঠক, লিপলেট বিতরণ, গণসংযোগ করছেন, কেন করছেন?
লিপটন: দেখুন, আমাদের সরকারের যত বেশি উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু তার প্রচার হচ্ছে খুব কম। সে হিসেবে আমি মনে করি এক রাজনীতির কর্মী হিসেবে, একজন মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমাদের সরকারের উন্নয়নের কর্মকান্ডগুলো তৃণমূল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই আমার এ সব কাজ। আমি কোনো কিছু পাওয়া প্রত্যাশা থেকে আমি রাজনীতি করিনি। তৃণমূল মানুষের উন্নয়নই হচ্ছে জাতির উন্নয়ন।

নতুন ফেনী: আগামী নির্বাচনে মনোনয় প্রত্যাশা করছেন?
লিপটন: আমি নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। আমি ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত রাজনীতির সাথে আছি নির্বাচন করার জন্য নয়। কোন লোভ লালসা থেকে নয়। তবে এলাকার বিষয় নিয়ে আমি অবশ্যই নির্বাচনে আগ্রহী। আমার এলাকা হিসেবে যদি নেত্রী যোগ্য মনে করেন আমি সে দায়িত্ব পালন করব। আর যদি নেত্রী মনে করেন আমার চেয়ে যোগ্য কাউকে কিংবা নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিতে চান আমি তার জন্য কাজ করব। নৌকা ও আওয়ামীলীগের বিজয়টাই আমার কাছে মুখ্য বিষয়।

নতুন ফেনী: ফেনী-৩ আসনে অনেকগুলো প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে, খোদ আওয়ামীলীগেরই ডজনখানেক প্রার্থী, যা অনেক চ্যালেঞ্জিং বটে?
লিপটন: বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং ঠিক কিন্তু পাশাপাশি এর অনেকগুলো কারণ রয়েছে। খেয়াল করে দেখুন, প্রতিবারই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ফেনী-৩ আসনটি কোনো না কোনভাবেই বিভ্রান্ত বা পথভ্রষ্ঠ হচ্ছে বারবার। ফলে সবার মধ্যে এখন এমপি হওয়ার প্রবণতাটা বেশ প্রকট। এটির অনেকগুলো কারণ আছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের গাফেলতি রয়েছে। কাজেই আমাদের উচিত একজন যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করা। সেটা আমি হই বা আমার দলের অন্য কেউ। আমি ব্যবসার পাশাপাশি রাজনীতি করি, রাজনীতিতে সময় না দিলে হয়ত আরো বড় ব্যবসায়ী হতে পারতাম। কারণ আমি নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনীতিবিদ নয়। এটা বিশ্বাসও করিনা। এমপি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আমি মাঠে আসছি এমন নয়। মনোনয়নের ক্ষেত্রে সবারই মনোনয় চাওয়ার গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। সে হিসেবে অনেকে চাচ্ছে এ আর কী।

নতুন ফেনী: সোনাগাজী-দাগনভূঞায় আপনার মাধ্যমে যেসব উন্নয়ন হয়েছে?
লিপটন: আপনি দেখেন, ২০০১সালের ১লা অক্টোবর সর্বপ্রথম আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে ফেনী জেলার সকল ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছি, সোনাগাজী, ফুলগাজী পরশুরাম ছাগলনাইয়া উপজেলায় ছাত্রলীগের সম্মেলনে ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় আমরা সম্পন্ন করেছি। নির্ধারিত স্থানে না পারলেও বিকল্প স্থানে সম্মেলন করেছি। ফেনী শহরে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের মধ্যে সর্বপ্রথম মাষ্টার পাড়ার মুজিব উদ্যানের পাশে যেটা রামতারা শিশুপার্ক সেখানে উন্মুক্ত স্থানে বিশাল ছাত্র সমাবেশ করেছিলাম। সোনাগাজী আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের সঙ্গে নিবীড় যোগসূত্র তৈরী করতে থাকি। অবহেলিত সোনাগাজীবাসীর দীর্ঘদিনের পুঞ্জিবিত সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান হয়েছে। সোনাগাজীর বাঁকা নদী সোজা হয়েছে, আদর্শ গ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র হয়েছে, বক্তার মুন্সি ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হয়েছে, আদর্শ গ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়েছে, সোনাগাজীর সাথে কোম্পানীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সেতু নির্মিত হচ্ছে, ডাক বাংলা থেকে কসকা সড়ক নির্মিত হয়েছে, বেশ কয়েকটি ব্রীজ নির্মাণ হয়েছে, আমিরাবাদ বিসি লাহা স্কুলকে কলেজে উন্নীত করেছি। অসংখ্য রাস্তাঘাট মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজের ভবন নির্মিত হয়েছে, বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলগুলো সরকারী হয়েছে, নতুন স্কুল হয়েছে, সবার সম্মিলিতভাবে সোনাগাজী উপজেলাকে প্রায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা হয়েছে, সোনাপুর থেকে জোরারগঞ্জ ভায়া সোনাগাজী আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ শুরু হয়েছে, সোনাগাজী পৌরসভাকে তৃতীয় শ্রেনী থেকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে উন্নীত করেছি, স্কুল কলেজের শাখা বৃদ্ধি করা হয়েছে । এভাবে অসংখ্য উন্নয়নের ফিরিস্থি তুলে ধরা যাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার সরকারের। সোনাগাজীর পাশাপাশি দাগনভূইয়াতেও অনেক উন্নয়ন কাজ হয়েছে এবং দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে দাগনভূইয়া উপজেলার বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা পাকা সুরু রাস্তা প্রসস্থ ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ। ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজকে সরকারী করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, কামাল আতাতুর্ক স্কুলে শাখা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উন্নয়ন কাজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দাগনভূইয়া পৌরসভা প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত হয়েছে। পৌরসভার সকল রাস্তা প্রশস্থ করা হচ্ছে। এই যে এতগুলো উন্নয়নের সাথে আমি যুক্ত তার সাথে আমার কোনো চাওয়া পাওয়ার সম্পর্ক নেই।

নতুন ফেনী: অবসরে কী করেন?
লিপটন: অবসরে বই পড়ি, বিশেষ করে ব্যাবসায়িক ও রাজনৈতি ব্যাক্তিত্ত্বদের জীবনী, জর্জ ওয়াশিংটন, নেলসন ম্যান্ডেলা থেকে শুরু করে, মহাত্মা গান্ধী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানী, বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাসহ অনেকের বই পড়ি, এ ছাড়া ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীত ও আধুনিক সঙ্গীত, বাউল সঙ্গীতসহ নানা ধরনের গান শুনি।

নতুন ফেনী: একজন রাজনীতিবিদের জন্য সংস্কৃতির চর্চাটা কোনো প্রয়োজন আছে কী?
লিপটন: অবশ্যই সংস্কৃতির প্রয়োজন রয়েছে। সাংস্কৃতিক শিক্ষা ছাড়া কেউ পরিপূর্ণ মানুষ হতে পারে না। রাজনীতিবিদদের জন্য তো তা অপরিহার্য বটে। সংস্কৃতি বিহীন মানুষ অন্ধ থেকে। তার চোখ মুখ অন্ধ থাকে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তার কাছে সবকছিু স্পষ্ট ধরা দেয়। ফলে সংস্কৃতি উন্নয়ন না ঘটলে তাকে পরিপূর্ণ মানুষ বলা যায় না।

নতুন ফেনী: ধর্ম এবং রাজনীতি দুটি আলাদা নাকি এক?
লিপটন: ধর্ম এবং রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্ম হচ্ছে মানুষের অনুভূতির সেটা যে ধর্মই হোক না কেন। ধর্মকে পুঁজি করে কেউ যদি রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চায় এটা দুরভীসন্ধী। এটি কখনোই হওয়া উচিত না। ধর্ম হচ্ছে একটি পবিত্র জিনিস যেটা রাজনীতি টেনে আনা মোটেই ঠিক না। যেমন ফেসবুকে দেখা যায়, আওয়ামীলীগ ও নৌকায় ভোট দিলে দেশে ইসলাম থাকবে না, মসজিদে মসজিদে উলুধ্বনি শোনা যাবে। এসব কথা যারা প্রচার করে তারা অবশ্যই পথভ্রষ্ট। যেমন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন-আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সকলেই আমার ভাই। সকলকেই দেখা আমার দায়িত্ব। তো, মাওলানা ভাসানী-বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিলো সব ধর্মের মানুষের প্রতি উদারতা। ধর্ম এবং রাজনীতি আলাদা বিষয়।

নতুন ফেনী: ধন্যবাদ আপনাকে।
লিপটন: ধন্যবাদ আপনাকে এবং নতুন ফেনী’কেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য।

আপনার মতামত দিন

error: Content is protected !!