Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale Football Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NHL Jerseys Wholesale NHL Jerseys Cheap NBA Jerseys Wholesale NBA Jerseys Cheap MLB Jerseys Wholesale MLB Jerseys Cheap College Jerseys Cheap NCAA Jerseys Wholesale College Jerseys Wholesale NCAA Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850

নুসরাত হত্যায় নিরাপত্তা দেয় রানা ও মামুন

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : | সময় : ৬:৪৩ অপরাহ্ণ

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন মামুন নামে গ্রেপ্তার দুই আসামী। সোমবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদারত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

পিপিআইয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল জানান, ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন মামুন নুসরাত হত্যার মুল পরিকল্পনায় ছিলো বলে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা বলেন- নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনায় ৪ এপ্রিল হাফেজ আবদুল কাদেরের কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার দিন মাদরাসা ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও কিলিং মিশনে অংশ নেয়াদের নিরাপদে বের হয়ে যেতে সহযোগিতা করেছেন বলে আদালতে স্বীকার করেন।

এর আগে বিকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন মামুনেকে আদালতে নিয়ে আসেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শাহ আলম। তিনটা থেকে বিচারক তাদের জবানবন্দি রেকর্ড শুরু করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শেষ করেন।

এর আগে ২০ এপ্রিল রাঙ্গামাটি টিঅ্যান্ডটি এলাকার একটি বাড়ী থেকে ইফতেখান হোসেন রানা ও কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে এমরান হোসেন মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে ২ মে বৃহস্পতিবার দুইজনকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এমরান হোসেন মামুন সোনাগাজী পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের চরগণেশ গ্রামের প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে ও ইফতেখার উদ্দিন রানা সোনাগাজী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ঈমান আলী হাজী বাড়ির জামাল উদ্দিনের ছেলে। দুইজনই অধ্যক্ষ সিরাজ মুক্তি পরিষদের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন।

এ মামলায় মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১১ জন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন ও ইফতেখার হোসেন রানা।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগিরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যায় নুসরাত জাহান রাফি।

এ ঘটনা তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামালা দায়ের করেন। মামলার এজহারভূক্ত ৮ আসামীসহ এখন পর্যন্ত ২১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।
সম্পাদনা: আরএইচ/এনজেটি

আপনার মতামত দিন