Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale Football Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NHL Jerseys Wholesale NHL Jerseys Cheap NBA Jerseys Wholesale NBA Jerseys Cheap MLB Jerseys Wholesale MLB Jerseys Cheap College Jerseys Cheap NCAA Jerseys Wholesale College Jerseys Wholesale NCAA Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850
  • Ad 850

ফেনীতে পাশের হার ৭৪.৩২, ৮৬৪ জিপিএ-৫

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : মে ৬, ২০১৯ | সময় : ৮:৩২ অপরাহ্ণ

ফেনীতে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৭৪.৩২ শতাংশ পাশ ও ৮৬৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলায় এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালে ২৪ হাজার ২শ’৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ হাজার ৯শ’ ৮৯ জন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ফেনী সদর উপজেলায় এসএসসিতে ৭ হাজার ১শ’ ৬৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করে ৬ হাজার ৪শ’ ৪৯ জন। এদের মধ্যে ৪৭৮ জন জিপিএ-৪ পেয়েছে। পাশের হার ৯০ শতাংশ। দাখিলে ১ হাজার ৯শ’ ৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭শ’ ৯৪ জন পাশ করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৪.১৭ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ফলাফল পাওয়া যায়নি।

দাগনভূঞা উপজেলায় এসএসসিতে ৩ হাজার ১শ’ ২৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ ৩৫ জন পাশ করে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ৯৮জন। শতকরা পাশের হার ৮৭.৪১ শতাংশ। দাখিলে ১ হাজার ২৮ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে ৮শ’ ৭২ জন পাশ করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন। পাশের হার ৮৪.৮২ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে কোন পরীক্ষার্থী নেই।

পরশুরাম উপজেলায় এসএসসিতে ১ হাজার ২শ’ ৫৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯শ’ ৬১ জন পাশ করে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ২৯জন। শতকরা পাশের হার ৭৬.৭০ শতাংশ। দাখিলে ৬শ’ ২৩ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে ৫শ’ ৫৪ জন পাশ করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন। পাশের হার ৮৮.৭২ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ভোকেশনালে ৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯জন পাশ করে। কেউ জিপিএ-৫ পায় নি। পাশের হার ৮০.৩২ শতাংশ। এখানে দাখিল ভোকেশনালে কোন পরীক্ষার্থী নেই।

ফুলগাজী উপজেলায় এসএসসিতে ১ হাজার ৬শ’ ৩৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২শ’ ১৯ জন পাশ করে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ১৯জন। শতকরা পাশের হার ৭৪.৪২ শতাংশ। দাখিলে ৩শ’ ১৭ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে ২শ’ ৭৭ জন পাশ করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬জন। পাশের হার ৮৭.৩৮ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ভোকেশনালে ৪৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭জন পাশ করে। কেউ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাশের হার ৯৫.৯২ শতাংশ। দাখিল ভোকেশনালে ২৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই পাশ করে। তবে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

ছাগলনাইয়া উপজেলায় এসএসসিতে ১ হাজার ৯শ’ ৮৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭শ’ ৬২ জন পাশ করে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ৭৩জন। শতকরা পাশের হার ৮৮.৭২ শতাংশ। দাখিলে ১ হাজার ১৩ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে ৯শ’ ৫৭ জন পাশ করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩জন। পাশের হার ৯৪.৪৭ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ভোকেশনালে ১শ’ ৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৪জন পাশ করে। কেউ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫জন। পাশের হার ৮৯.৪৪ শতাংশ। দাখিল ভোকেশনালে এ উপজেলায় কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

সোনাগাজী উপজেলায় এসএসসিতে ২ হাজার ৬শ’ ৩১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ২শ’ ২ জন পাশ করে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ৬৩জন। শতকরা পাশের হার ৮৩.৬৯ শতাংশ। দাখিলে ১ হাজার ৮৭ পরীক্ষার্র্থীর মধ্যে ১হাজার ৩৬ জন পাশ করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬জন। পাশের হার ৯৫.৩১ শতাংশ। এ উপজেলায় এসএসসি ভোকেশনালে ১শ’ ৩০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১শ’ ৫জন পাশ করে। কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। পাশের হার ৮০.৭৬ শতাংশ। দাখিল ভোকেশনালে এ উপজেলায় কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

বরাবরের মতো সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে ফেনীর প্রতিষ্ঠান গুলো। এবারো শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজ। এবার এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৬ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ লাভ করে। একইভাবে ফেনী সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শতভাগ পাশসহ ১শ’ ৩০ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে। ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০১ শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশ করে জিপিএ-৫ পায় ১শ, ২৮জন জন। দাখিলে শীর্ষে রয়েছে আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদরাসা। এখান থেকে এবার ৯৮.৭৯ শতাংশ পাশসহ জিপিএ-৫ অর্জন করে ৫৪ শিক্ষার্থী।

এদিকে ফেনী সদর উপজেলায় পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহে বিঢম্বনার শিকার হতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। এ উপজেলায় দায়িত্বে থাকা শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনিন সুলতানা ফলাফল বিবরনী প্রদানে গড়িমশি করেন। বার বার যোগাযোগ করা হলে তিনি এসএসসি ও দাখিলের ফলাফল দিতে পারলেও ভোকেশনালের কোন তথ্য দিতে পারেন নি।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনিন সুলতানা জানান, ভোকেশনালের তথ্য সংগ্রহের জন্য অফিস থেকে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তাই তিনি সেটি প্রস্তুত করেন নি। তাছাড়া জেলা শিক্ষাকর্মকর্তা বলেছেন- সেটি আমাদের দায়িত্ব নয়।

অন্যদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিম উল্লা জানান, উপজেলায় শিক্ষা কার্যক্রমের সব বিষয়ে দেখবালের দায়িত্ব শিক্ষা কর্মকর্তার। অফিস থেকে এমন কোন নির্দেশনা দেয়া হয় নি বলে তিনি আরো জানান, ওই শিক্ষা কর্মকর্তা কেন ভোকেশনালের ফলাফল সংগ্রহ করেনি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্পাদনা: আরএইচ/এনজেটি

আপনার মতামত দিন

error: Content is protected !!