Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale Football Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NHL Jerseys Wholesale NHL Jerseys Cheap NBA Jerseys Wholesale NBA Jerseys Cheap MLB Jerseys Wholesale MLB Jerseys Cheap College Jerseys Cheap NCAA Jerseys Wholesale College Jerseys Wholesale NCAA Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys

‘শাকিবের ছবি দেখতে দেখতে পাবলিক অতিষ্ট’

শাহাদাত হোসেন তৌহিদ
প্রকাশ : | সময় : ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

মাসুম পারভেজ রুবেল। একাধারে ফাইটিং ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ‘লড়াকু’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে তিনি মার্শাল কিংবদন্তি ও অ্যাকশন কিং হিরো হিসেবে খ্যাত রুবেল প্রায় আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। রুবেলের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে ‘উত্থান পতন’, উদ্ধার, ‘বীরপুরুষ’, ‘বজ্রমুষ্টি’। ১৯৯৮ সালে ভূষিত হয়েছেন লাক্স আনন্দ ধারা পুরষ্কার ও বাচসাস পুরষ্কার যথাক্রমে যুদ্ধা (২০০০) এবং বিচ্চু বাহিনী (২০০১) চলচ্চিত্রের জন্য। গত ২৯ জুলাই ফেনীতে একটি অনুষ্ঠানে এলে সেখানে তিনি ক্যারিয়ারের শুরুর কথা, বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পের সম্ভাবনা, সঙ্কটসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি কথা বলেন। নতুন ফেনীর পক্ষে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শাহাদাত হোসেন তৌহিদ।

নতুন ফেনী: কিভাবে চলচ্চিত্রে আসলেন?
রুবেল: ১৯৮৬ সালের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়ছি। আমি ফুটবল খেলোয়াড় ছিলাম, মাত্র ২২ বছর বয়সেই আমি পরপর দুইবার জাতীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক পাই। একদিন এক বড়ভাইয়া হঠাৎ আমাকে ডাকলেন। আমার গোল্ড মেডেলগুলো নিয়ে তার বাসায় যেতে বললেন। আমি গেলাম। বিভিন্নভাবে আমার অনেক ছবি তোলা হলো। প্রথমে কারণটা বুঝতে পারিনি। পরে জানলাম, আমি হিরো হতে যাচ্ছি। আমার ক্যামেরার সামনে আসার ইচ্ছা ছিলো না। আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন আল মাসুদ ভাই। তিনি আমাদের সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখতেন। তখন ভাইয়া ‘লড়াকু’ করার কথা ভাবছিলেন। তিনিই ডেকে বললেন, আমরা একটা সিনেমা করতে যাচ্ছি তুমি হিরো হবে। ওই সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে আমার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু শুধু তাই নয়, সিনেমাটি সুপার ডুপার হিট হলো। যে কারণে পরের সিনেমাগুলোতে আমি কাজ করতে পেরেছি। ওই ছবির পরিচালক ছিলেন করেন শহীদুল ইসলাম খোকন।

নতুন ফেনী: আপনি তো দীর্ঘদিন ধরে ফিল্মে কাজ করছেন আগের সময় আর এখকার সময়টাকে কিভাবে মুল্যায়ন করবেন?
রুবেল: এর প্রধান প্রার্থক্য হচ্ছে, তখনকার সময়ে আমার যারা চলচ্চিত্র করতাম, মনোযোগ দিয়ে ভালোবেসে করতাম, কাজের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা অনেক বেশি ছিলো আর এখনকার চলচ্চিত্রকর্মীরা ফিল্মকে নয়, টাকাকে ভালোবাসে, কাজকে সম্মান করতে জানে না, ভালোবাসতে জানে না।




নতুন ফেনী: বাংলাদেশী সিনেমায় কিছু সঙ্কটের কথা শোনা যাচ্ছে, আপনার মতামত?
রুবেল: সঙ্কটতো অবশ্যই রয়েছে। এ সঙ্কটগুলো সৃষ্টি হওয়ার জন্য কারণগুলো যদি আমি বলি, যারা ফিল্মে নতুন এসেছে তাদের জন্য, কিছু প্রডিউসারকে দায়ী করবো। আর শাকিব খানকে আমি দায়ী করবো। শাকিব যে অবস্থানে দাঁড়িয়েছিলো সে চাইলে চলচ্চিত্রের অনেক কিছু পরিবর্তন করতে পারতো। সে আত্মকেন্দ্রিক বিধায়, সে নিজেকে নিয়ে চিন্তা করেছে বিধায় সে অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করেনি। সে চিন্তা করেছে কিভাবে সে টিকে থাকবে, কিভাবে তার ছবি ছাড়া অন্য কারো ছবি চলবে না এসব। তার ছবি দেখতে দেখতে পাবলিক অতিষ্ট হয়ে গেছে। সে অন্য হিরোদেরকে লাইমলাইটে আসতে দেয় না। এসব নোংরা পলিটিক্স যারাই করেছে আমি তাদেরকে ধিক্কার দিই। কারণ, যে কোন জায়গায় প্রতিযোগিতা যদি না থাকে তাহলে কোন কিছুই বেরিয়ে আসা সম্ভব না। শাকিব সুপার স্টার, কিন্তু কয়জনের মধ্যে? একজনের মধ্যে। আমাদের সময় ১২ থেকে ১৪জন স্টার ছিলো। আর এখন একজন। নতুন কাউকে আসার সুযোগ করে দিচ্ছে না নোংরা পলিপিক্স করে। শাকিব চাইলে এটা থেকে সুন্দর একটি রাস্তা দেখাতে পারতো, সে নিজেকে সুপার স্টার মনে করে অন্যদের সুযোগ না দিয়ে।

নতুন ফেনী: আবেদন ছাড়াই কয়েকজন নির্মাতা ফিল্ম তৈরির জন্য সরকারী অনুদান পেলেন, এটিকে আপনি কিভাবে দেখেন?
রুবেল: এটা আমাদের ফিল্ম মেকারদের থেকে শুরু করে চলচ্চিত্রকর্মী সকলের জন্য বিব্রতকর। কিছু তেলবাজ, চাটুকার ও যারা জীবনে চলচ্চিত্রের নিয়ে থাকেননি, যাদের কোন আদর্শ নেই তারাই এ অনুদানটা পেয়েছে। এরা আসলে অন্যদের দারা পরিচালিত হয়। অনুদান বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার করা উচিত।

নতুন ফেনী: বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গণের ভবিষ্যতকে কিভাবে দেখছেন, আপনার দৃষ্টিতে ইন্ড্রাষ্টিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া জন্য কোন পরামর্শ আছে?
রুবেল: আমরা সরকারকে দাবি জানিয়েছি যে, চলচ্চিত্র’র বৃদ্ধমান যে সঙ্কট রয়েছে সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য। এফডিসি কেন্দ্রিক নোংরা পলিটিক্স থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সবাইকে সুযোগ করে দিতে হবে। এখনও সময় আছে। সরকার যদি পৃষ্ঠপোষকতা করে তাহলে সিনেমা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। দর্শক এখনও সিনেমা দেখতে চ্য়া। তাদের ভালো সিনেমা দিতে হবে। আমি বলবো, এখন সিনেমা বানাতে ব্যর্থ হচ্ছেন পরিচালক। সারাদেশে আরো তিনশ সিনেপ্লেক্স হলে সিনেমার অবস্থা আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

নতুন ফেনী: ফেনীতে এসে কেমন লাগলো?
রুবেল: ফেনী আমার পছন্দের জায়গুলোর একটি, কারণ এখানে আমার প্রচুর ভক্ত রয়েছে। ৯৯% আমার ভক্ত। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের পর ফেনীতে আমি আমার প্রচুর ভক্ত দেখলাম। তা ছাড়া, এখানকার মানুষের আন্তরিকতা দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ ও অভিভূত। যারা আমাকে এখানে এনেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

নতুন ফেনী: ফিল্ম নিয়ে এখন আপনি কি কাজ করছেন?
রুবেল: চারটি ছবির কাজ করছি, বির্ধ্বস্থ, বংশ মানব, অপরাধজগৎ, বীর বাঙালি। এরপর আমি আর কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আগের মতো সে সুস্থ্য ধারা নেই।

আপনার মতামত দিন

error: Content is protected !!