Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Wholesale Jerseys Cheap Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale Football Jerseys Wholesale Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NFL Jerseys Wholesale NFL Jerseys Cheap NHL Jerseys Wholesale NHL Jerseys Cheap NBA Jerseys Wholesale NBA Jerseys Cheap MLB Jerseys Wholesale MLB Jerseys Cheap College Jerseys Cheap NCAA Jerseys Wholesale College Jerseys Wholesale NCAA Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys Cheap Soccer Jerseys Wholesale Soccer Jerseys

লাগামছাড়া শীতকালীন সবজির বাজার, অসহায় ক্রেতা

মিরসরাই প্রতিনিধি
প্রকাশ : | সময় : ৭:৪৭ অপরাহ্ণ

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে প্রচুর শীতকালীন সবজি মজুদ থাকার পরও দাম কমছেনা। প্রতি বছর শীতকালে সবজির দাম স্বাভাবিক থাকলেও এবার দেখা যাচ্ছে উল্টোচিত্র। এতে করে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্মবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে।

উপজেলার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের চোখে-মুখে চাপা উদ্বেগ। সবজির এই ঊর্ধ্বগতিতে বেশি বিপাকে পড়েছে স্বল্পআয়ের মানুষ। দাম শুনে তাদের কপালের ভাঁজ। কী কিনবেন আর কী কিনবেন না, এ নিয়ে দিশেহারা তারা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে প্রশাসনের নজরদারির অভাব। বিক্রেতারা তাই নানা অজুহাতে দাম বাড়াচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছে, সাম্প্রতিক সময়ের বৃষ্টিতে চাষিদের খেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সরবরাহ নেই। এছাড়া আড়তেও সবজির দাম চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝিঙা ও ক্ষিরার কেজি এখন ৮০ টাকা। তিতকরলা ও ফুলকপি ৭০ টাকা। অন্য সব সবজিও বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকার উপরে। বাজারে সবজির দাম শুনে অবাক হচ্ছেন ক্রেতারা। তবে সবজির এমন উচ্চদামে বিক্রেতাদের মাঝেও স্বস্থি নেই।
মাসখানেক আগে ফুলকপির দাম ছিল ৫০-৬০। এটি এখন ৮০-৯০ টাকা। বাঁধাকপি, শিম ও মুলার দাম একমাস ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। বাঁধাকপি ও মুলা ৫০ এবং শিম ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেড়েছে অন্য সবজিরও। শসা, ঢেঁড়স, বরবটি, তিতকরলা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা দুসপ্তাহ আগে কেজিপ্রতি ছিল ৫০-৬০ টাকা। এখন শসা ও ঝিঙা ৮০, তিতকরলা ৮০, বরবটি, চিচিঙ্গা ও ঢেঁড়স ৭০ টাকা ।

মিরসরাই সদরে বাজার করতে আসা স্কুল শিক্ষক আবু তাহের ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘সবজির বাজারে যেন আগুন লেগেছে। সপ্তাহখানেক আগে ঝিঙা কিনলাম কেজি ৬০ টাকা দরে। আজ নাকি ৮০ টাকা! এত দামে সবজি কিনবো কীভাবে?’

বেসরকারি চাকরীজীবি তোফায়েল উল্লাহ বলেন, মিরসরাইয়ে প্রচুর সবজি চাষ হয়। তারপরও এখানে সবজির দাম বেশি। অথচ কৃষক তার উৎপাদিত পন্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেনা। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দুই তিনগুন বেশি দামে বিক্রি করছে।

সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, যেখানে ক্রেতারা আগে ১ কেজি সবজি কিনত, এখন অনেকে আধকেজির বেশি নিচ্ছে না। বেচাকেনা কম। আড়তেও সরবরাহ কম। পেঁয়াজের ঝাঁজও কমছে না। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ২২০-২৫০, তুরস্ক ও মিশরের ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় নাসিক পেঁয়াজ ২২০ টাকা। ঝাঁজ কিছুটা কমেছে আদার।

সম্পাদনা:আরএইচ/এমএমইউ

আপনার মতামত দিন

error: Content is protected !!