স্বেচ্ছাসেবক হবেন যে কারণে • নতুন ফেনীনতুন ফেনী স্বেচ্ছাসেবক হবেন যে কারণে • নতুন ফেনী
 ফেনী |
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৪ আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছাসেবক হবেন যে কারণে

ফজলুল করিম হৃদয়ফজলুল করিম হৃদয়
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ১০ মে ২০২০

স্বোচ্ছাসেবক হচ্ছে স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বিনা বেতনে যে ব্যক্তি সেবাদান করেন। আর গ্রামীণ স্বেচ্ছাসেবা বলতে গ্রামে বসবাস রত অবহেলিত, বঞ্চিত, ভূমিহীন, দিনমুজুর, দরিদ্র মানুষ যারা মানবেতর জীপন যাপন করছে তাদের আর্থ-সামাজিক আবস্থার উন্নয়নের জন্য স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে নিজে বা সংগঠনের মাধ্যমে বিনা বেতনে তাদের সেবাদান করা । গ্রামীণ স্বেচ্ছাসেবা একটি গ্রাম বা গ্রাম ভিত্তিক অঞ্চলের সমষ্টি উন্নয়ন প্রক্রিয়ার ভিত্তি।

তবে বাংলাদেশে এর সুবিধাভোগের চিত্র পুরোপুরি বিকাশিত হয়নি, স্বেচ্ছাসেবকরা অনেক অংশে তাদের স্বেচ্ছাসেবার মূল মানদণ্ড থেকে সরে যায় । কিছুটা তাদের স্বেচ্ছাসেবার লক্ষ্য ও উদ্দশ্য না থাকার কারণে আবার কিছুটা স্বেচ্ছাসেবার বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক অপব্যবহার এর কারণে। আবার অনেকে মনে করেন গ্রামে চাল, ডাল দিয়েই স্বেচ্ছাসেবক হওয়া যায়, আসলেই তাই? প্রকৃত অর্থে সেচ্ছাসেবার সুবিধা ভোগের জন্যই এর নিদিষ্ট বেশ কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্বেচ্ছাসেবক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর জানা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি এবং এই ল্যক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নই প্রকৃত স্বোচ্ছাসেবা।

প্রথমত, একজন স্বেচ্ছাসেবক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দশ্য হওয়া উচিৎ স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশে সহায়তা নিশ্চিত করা, যাতে করে ছোট ছোট আকারে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা গ্রামের অবহেলিত ও বঞ্চিত দরিদ্র শ্রেণিকে সংগঠিত রা এবং তাদের সর্বপেরী অধিকার নিশ্চিত করা ।

দ্বিতীয়ত, স্থায়ীভাবে বেকারত্ব দূরীকরণ তথা দ্ররিদ্র শ্রেণীর আয় বৃদ্ধির জন্য আত্মকর্মসংস্থান, কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এছাড়াও জনগনের যার যতটুকু সম্পদ রয়েছে তার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা ও ছোট আকারে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং কুঠিরশিল্পের সম্পসারণ করা।

তৃতীয়ত, শিশু, নারী, বৃদ্ধ, পঙ্গু, অক্ষম, প্রভৃতি উন্নয়নে বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা । গ্রামকে উন্নয়নে একধনের গ্রামোন্নয়নের জন্য সামগ্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা ও গ্রামীণ এলাকার নিন্মশ্রেনীর জনগনের আত্মবিশ্বাস ও মূল্যবোধের বিকাশ সাধনের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা ।

চতুর্থত, দরিদ্র জনগনের স্বাথ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতন করে তোলা এবং নিরক্ষতা ও অজ্ঞতা দূরীকরণে নিমিত্তে প্রতিষ্ঠানিক অথবা অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মানউন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া। সর্বপেরী পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে দরিদ্র জনগনকে খাপ-খাওয়াতে সহায়তা করা ।
লেখক :শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারী কলেজ।

আপনার মতামত দিন

Android App
Android App
Android App
© Natun Feni. All rights reserved. Design by: GS Tech Ltd.