মাছের ত্বক দিয়ে বানানো হয় পোশাক • নতুন ফেনীনতুন ফেনী মাছের ত্বক দিয়ে বানানো হয় পোশাক • নতুন ফেনী
 ফেনী |
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৪ আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাছের ত্বক দিয়ে বানানো হয় পোশাক

নুর উল্ল্যাহ কায়সারনুর উল্ল্যাহ কায়সার
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রাশিয়ার সীমান্তবর্তী চীনের রাজ্য হেইলংজিয়াংয়ের তংজিয়াং শহরে হ্যাজেন সম্প্রদায়ের মানুষেরা মাছের ত্বক দিয়ে পোশাক তৈরি করেন৷ তবে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে৷

রাশিয়ার সীমান্তবর্তী চীনের রাজ্য হেইলংজিয়াংয়ের তংজিয়াং শহরে হ্যাজেন সম্প্রদায়ের মানুষজন বাস করেন৷ গত শতকের ত্রিশ ও চল্লিশ দশকে জাপানিরা মাঞ্চুরিয়া দখল করলে ঐ সম্প্রদায়ের অনেককে হত্যা করা হয়৷ ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হ্যাজেন সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৩০০ জন৷ অবশ্য এখন সেটি বেড়ে হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার৷ ছবিতে হ্যাজেনদের একটি গ্রাম দেখা যাচ্ছে৷

ইউ ওয়েনফেঙ হ্যাজেন সম্প্রদায়ের এক নারী৷ মায়ের কাছ থেকে তিনি মাছের ত্বক দিয়ে জামাকাপড় তৈরির কৌশল শিখেছেন৷
প্রথমে মাছের ত্বক ছাড়িয়ে শুকানো হয়৷ এরপর তা নরম করে জামাকাপড় তৈরি করা হয়৷ এতে সময় লাগে প্রায় এক মাস৷ আর সেলাই করতে লাগে আরও ২০ দিন।

পোশাক তৈরিতে কার্প, পাইক ও স্যামন মাছের ত্বক ব্যবহার করা হয়৷ মেয়েদের একটি টপ আর এক জোড়া ট্রাউজারের জন্য ৫০টি মাছের ত্বক প্রয়োজন হয়৷ আর পুরুষদের জন্য লাগে ৫৬। হ্যাজেন সম্প্রদায়ের তরুণরা মাছের ত্বক দিয়ে পোশাক বানাতে তেমন আগ্রহী নন৷ এছাড়া হ্যাজেন সংস্কৃতিতেও আর নিত্যদিনের পোশাক তৈরিতে মাছের ত্বক ব্যবহৃত হয় না৷

হ্যাজেন তরুণদের আগ্রহ কম থাকায় ওয়েনফেঙ স্থানীয় হান চীনা নারীদের মাছের ত্বক দিয়ে পোশাক তৈরির কৌশল শেখাচ্ছেন৷ এভাবে অন্তত ঐতিহ্যটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন তিনি৷ডিয়র, প্রাডার মতো ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো মাঝেমধ্যে মাছের ত্বক দিয়ে বানানো পোশাক নিয়ে এসেছে৷ তবে তা এখনও বাণিজ্যিকভাবে ততটা সফল হয়নি৷
সম্পাদনা:আরএইচ/এইচআর

আপনার মতামত দিন

Android App
Android App
Android App
© Natun Feni. All rights reserved. Design by: GS Tech Ltd.