দাগনভূঞায় প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নেতা কায়েসসহ ভূক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন • নতুন ফেনীনতুন ফেনী দাগনভূঞায় প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নেতা কায়েসসহ ভূক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন • নতুন ফেনী
 ফেনী |
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞায় প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নেতা কায়েসসহ ভূক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

দাগনভূঞা প্রতিনিধিদাগনভূঞা প্রতিনিধি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, ০১ এপ্রিল ২০২২

দাগনভূঞায় সিরাজ উদ্দিন দুলাল নামের এক প্রতারকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিকার দাবী করেছেন ভাষা শহীদ সালাম মেমোরিয়াল কলেজের সভাপতি ও দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল কায়েস রিপনসহ কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকালে দাগনভূঞা বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্থ আবুল কায়েস রিপন, ইয়াসিন সওদাগরের মেঝ ছেলে ব্যবসায়ী আবুল কালাম, ব্যবসায়ী শাহাজাহান শারু ব্যবসায়ী শরীয়ত উল্যাহ ভুইয়া ও আনোয়ারা বেগম উপস্থিত ছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থরা বক্তব্যের মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়গুলো উপস্থাপন করে এর প্রতিকার দাবী করেছেন।


সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী নেতা আবুল কায়েস রিপন জানান, ২০১৭ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার আলোচনাকালে দুলাল নিজেকে কুমিল্লা বোর্ডের সাথে লোকজনের সাথে সম্পর্ক রয়েছে দাবী করে কলেজের বোর্ড সংশ্লিষ্ট কাজগুলো করে দেয়ার কথা বলে বিনা টাকায় ওয়ার্কিং পার্টনার হিসেবে কলেজ কার্যক্রমে যোগ দেন। কলেজের নিবন্ধন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে আমার থেকে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। শুধু তাই নয়; দুলাল আমার সই স্বাক্ষর জালিয়াতি করে কলেজের নামে জমি দানের একটি ভূয়া দলিল তৈরী করেছে। ওই দলিলে তারিখ দেখানো হয়েছে ২০১২ সাল। অথচ কলেজ তৈরীর বিষয়ে বিগত ১০ বছর আগে কেউ ছিন্তাও করেনি। সর্বশেষ ভাষা শহীদ সালাম মেমোরিয়াল কলেজটির ভাড়া ঘরে পাঠদানের অনুমোদন দিয়ে বোর্ড থেকে ইস্যুকৃত পত্রে সভাপতি হিসেবে আমিসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির ৫ সদস্যের নামে নাম থাকলেও সেখানে দুলালের নাম ছিলোনা। প্রথম বছরেই কলেজটির শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করে সুনাম কুড়ানোর পর কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আমাকে সরিয়ে কলেজটি বন্ধ অথবা দখল করার ষড়যন্ত্র শুরু করে দুলাল। এতে সফল না হয়ে দুলাল ১৩/০৩/২২ তারিখে ফেনীর আদালতে কাল্পনিক অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।
রিপন সংবাদ সম্মেলনে আরো জানান, মিথ্যা মামলা করে আমাকে হয়রানী করা, কলেজের নামে বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ সংগ্রহ ও কলেজের পরিচালক শরিয়ত উল্লাহ এবং আবুল কালামের সাথে প্রতারণা করায় কলেজ পরিচালনা কমিটির এক সভায় তাকে সর্ব সম্মতিক্রমে বহিস্কার করা হয়।


সংবাদ সম্মেলনে দাগনভূঞা বাজারের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী শাহজাহান শারু জানান, দুলাল সরকারী জায়গাকে নিজের জায়গা বলে বিক্রির জন্য আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা এডভান্স নিয়ে এখন আমার টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। ক্ষতিগ্রস্থ আবুল কালাম ও শরীয়ত উল্লাহ ভূঞা জানান, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে লাখ লাখ টাকা হাওলাত নিয়ে ওই টাকা ফেরত দিচ্ছেনা দুলাল। টাকা চাওয়ায় আদালতে মিথ্যা মামলা করে আমাদেরকে হয়রানী করেছে। আমান উল্যাহ গ্রামের বাসিন্দা জৈতুনের নেসা তার মেয়েকে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে জায়গা দান করলেও দুলাল সে জমি দখল করে আছেন। জায়গার প্রকৃত মালিক আনোয়ারা বেগম মামলার ভয় ও হুমকির কারনে নিজের জায়গায় যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনরা  প্রতারকের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার ও এ বিষয়ে প্রতিকার দাবী করেছেন।

 

আপনার মতামত দিন

Android App
Android App
Android App
© Natun Feni. All rights reserved. Design by: GS Tech Ltd.